Categories
Uncategorized

আপন বোনকে প্রেগন্যান্ট করে বিয়ে করলো মায়ের পেটের ভাই!-ময়মনসিংহে

আপন বোনকে প্রেগন্যান্ট করে বিয়ে করলো মায়ের পেটের ভাই!-ময়মনসিংহে

প্রায় ২০ বছর আগে নিজের স্বামীকে তালাক দিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বরেলির কিলা এলাকার এক নারী। দ্বিতীয় পক্ষে তিন মেয়ে সন্তান ও এক ছেলের জন্ম দেন তিনি।
তার মৃত্যুর পর মায়ের অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয় উভয়পক্ষের সন্তানরা। সেখানেই প্রথমপক্ষের ছেলের সঙ্গে কথা হয় দ্বিতীয়পক্ষের এক মেয়ের। প্রথম দেখার পরই প্রেমে পড়া। আর সেই গাঢ় প্রেম গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত।
পুলিশের কাছে তার পরিষ্কার বক্তব্য, বিয়ে করা স্বামীর (সৎভাই) কাছেই এখন থাকতে চায় সে, তাতে যতোই বাধা আসুক।
এদিকে ভাইবোনের এই বিয়ে এবং তাতে আত্মীয়দের আপত্তি নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। কারণ রীতি অনুযায়ী একই মায়ের গর্ভজাত সন্তানের মধ্যে বিয়ে বৈধ নয়। সেটাই এখন তাদের প্রেম ও বিয়েতে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তার স্ত্রীকে (বোন)।

প্রায় ২০ বছর আগে নিজের স্বামীকে তালাক দিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের বরেলির কিলা এলাকার এক নারী। দ্বিতীয় পক্ষে তিন মেয়ে সন্তান ও এক ছেলের জন্ম দেন তিনি।তার মৃত্যুর পর মায়ের অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয় উভয়পক্ষের সন্তানরা। সেখানেই প্রথমপক্ষের ছেলের সঙ্গে কথা হয় দ্বিতীয়পক্ষের এক মেয়ের। প্রথম দেখার পরই প্রেমে পড়া। আর সেই গাঢ় প্রেম গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত।বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন দুই ভাই-বোন। কিন্তু সেই বিয়েতে বাধ সাধে আত্মীয়-স্বজন। এমনকি পুলিশকে জানালে তাদের হাতে লাগানো হয় হাতকড়া। যদিও সেই বাধা বিপত্তি মানতে নারাজ মেয়ে।পুলিশের কাছে তার পরিষ্কার বক্তব্য, বিয়ে করা স্বামীর (সৎভাই) কাছেই এখন থাকতে চায় সে, তাতে যতোই বাধা আসুক।এদিকে ভাইবোনের এই বিয়ে এবং তাতে আত্মীয়দের আপত্তি নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। কারণ রীতি অনুযায়ী একই মায়ের গর্ভজাত সন্তানের মধ্যে বিয়ে বৈধ নয়। সেটাই এখন তাদের প্রেম ও বিয়েতে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তার স্ত্রীকে (বোন)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *